ফজলার রহমান গাইবান্ধা থেকে ঃ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে জিয়া শিশু কিশোর সংগঠন কেন্দ্রীয় পরিষদের সহ সভাপতি ও জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন গুলশান থানার সভাপতি অরজিনা পারভীন চাঁদনী কে সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি হিসেবে দেখতে চাওয়ার দাবি দিন দিন জোরালো হচ্ছে। দলীয় তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যেও এ বিষয়ে ব্যাপক সমর্থন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়কালে জীবন বাজি রেখে সংগ্রামে হার না মানা নেত্রী অরজিনা পারভীন চাঁদনী।
তিনি গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের বিএনপি নেতা ও ইউপি সদস্য অলিউর রহমান অলি মেম্বরের মেয়ে। স্বামী বুয়েট সিভিল ইন্জিনিয়ার, বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী শিল্পপতি মোজাম্মেল হক চৌধুরী ফেনী -১ সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম খালেদা জিয়ার নির্বাচনী আসনের স্থায়ী বাসিন্দা।
শিক্ষাগত জীবনে, বগুড়া আজিজুল হক কলেজ থেকে ২০২৩ সালে এম এ (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) মাস্টার্স কমপ্লিট।
রাজনৈতিক জীবনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল পলাশবাড়ী থানা সভাপতি, জিয়া শিশু কিশোর সংগঠন কেন্দ্রীয় পরিষদ সহ-সভাপতি, যে সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) ঢাকা মহানগর উত্তরের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠক (জিসাস) গুলশান থানার সভাপতি হিসেবে সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করছেন ।
অরজিনা পারভীন চাঁদনী জানান,গাইবান্ধার পলাশবাড়ী আমার পৈত্রিক নিবাস হওয়ায় এই জেলার মানুষ আমাকে আপন করে নিয়েছে।এখানকার মানুষের সাথে রক্তের বন্ধন তৈরি হয়েছে। এই অঞ্চলের মানুষের জন্য কিছু করতে চাই।
দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে অরজিনা পারভীন চাঁদনী নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সঙ্গে দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিশেষ করে আন্দোলন-সংগ্রামের কঠিন সময়ে রাজপথে তার সরব উপস্থিতি এবং নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা তাকে একজন পরীক্ষিত নেত্রী হিসেবে তিনি দলের প্রতি আনুগত্য ও দৃঢ় অবস্থানের প্রমাণ রেখেছেন।
গাইবান্ধার এবং পলাশবাড়ীর একাধিক নেতাকর্মী সাথে কথা হলে তারা বলেন, দুর্যোগ, মহামারি ও সংকটময় পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি মানবিক নেতৃত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। নারীদের সংগঠিত করা, তাদের অধিকার ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সচেতনতা সৃষ্টি এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় কাজের মাধ্যমে তিনি নারী নেতৃত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
নেতাকর্মীদের মতে, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রদানের ক্ষেত্রে পরীক্ষিত, ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া সময়ের দাবি। অরজিনা পারভীন চাঁদনী দীর্ঘ সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, জনসম্পৃক্ততা এবং কর্মতৎপরতা তাকে একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তারা বিশ্বাস করেন, তাকে মনোনয়ন দেওয়া হলে দল সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী হবে এবং জাতীয় সংসদে নারীদের কার্যকর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে।
মাঠপর্যায়ে দীর্ঘদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা অরজিনা পারভীন চাঁদনী সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ও বাস্তব সমস্যাগুলো গভীরভাবে অনুধাবন করতে সহায়তা করেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারী অধিকার ও সামাজিক নিরাপত্তা বিষয়ে তার সক্রিয় অবস্থান তাকে আলাদা করেছে বলে মনে করছেন সমর্থকরা। সব দিক বিবেচনায় অনেকের মতে, নেতৃত্বের গুণাবলি, জনআস্থা ও সাংগঠনিক দক্ষতার ভিত্তিতে অরজিনা পারভীন চাঁদনী সংরক্ষিত মহিলা আসনে একজন কার্যকর ও যোগ্য এমপি হতে পারেন।