ঢাকা, বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬ ()

জুলাই সনদ ও সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে কিছু হবেনা

Oplus_131072

বিগত সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশগুলোর ভবিষ্যৎ নির্ধারণে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে যাচাই-বাছাই কমিটি। ১২০টিরও বেশি অধ্যাদেশের বিষয়ে এরই মধ্যে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন সংশ্লিষ্টরা। আগামী ২ এপ্রিল এই দীর্ঘ পর্যালোচনার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। তবে বিতর্কিত জুলাই সনদ বা সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান।

বুধবার (২৫ মার্চ) বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং তিনি এসব তথ্য জানান।

আইনমন্ত্রী জানান, দীর্ঘ পর্যালোচনার পর অধিকাংশ অধ্যাদেশ নিয়ে একটি সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। আমরা প্রায় ১২০টির বেশি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই শেষ করেছি।

কোনগুলো বর্তমান প্রেক্ষাপটে রাখা হবে আর কোনগুলো বাতিল হবে, সে বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। তবে সুনির্দিষ্ট তালিকাটি এখনো চূড়ান্তভাবে ‘সর্ট-আউট’ করা হচ্ছে। ২ এপ্রিল রিপোর্টের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।

বাকি থাকা কয়েকটি অমীমাংসিত বিষয় নিয়ে আগামী ২৯ মার্চ পুনরায় আলোচনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এই বৈঠকের পরই পর্যালোচনার সব কাজ শেষ হবে এবং এগুলোকে স্থায়ী আইনে রূপান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

জুলাই বিপ্লবের চেতনা ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, জুলাই সনদ আমাদের কাছে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ দলিল। এর ৩ নম্বর পেজের ৬-এর ক ধারা অনুযায়ী, সনদের ৮৪টি আর্টিকেলের মধ্যে ১ থেকে ৪৭ পর্যন্ত অংশ বাস্তবায়নের জন্য সংবিধান সংশোধন অপরিহার্য। যারা একে বাইপাস করে ভিন্ন কোনো আদেশ দিতে চায়, তারা সনদের পরিপস্থি কাজ করছে। আমরা সংবিধান ও জুলাই সনদকে প্রাধান্য দিয়েই সব পদক্ষেপ নিচ্ছি।

নির্ধারিত ৩০ দিনের সময়সীমার মধ্যেই কাজ শেষ করা হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখছি। ২ তারিখ রিপোর্ট জমা দেওয়ার পর আইন পাসের প্রচলিত নিয়মেই বিলগুলো সংসদে উত্থাপিত হবে। তবে সুপ্রিম কোর্টের সচিবালয় বা নির্দিষ্ট কোনো স্পর্শকাতর অধ্যাদেশ এই তালিকায় আছে কি না, সে বিষয়ে তিনি এখনই বিস্তারিত বলতে রাজি হননি। মানবাধিকার কমিশন আইনের মতো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখনো আলোচনার টেবিলে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


     এই বিভাগের আরো খবর