ঢাকা, শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet এবার রেকর্ড গড়লো পদ্মা সেতু Headline Bullet মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্যকে কঠোর হুঁশিয়ারি Headline Bullet শেখ হাসিনাসহ মোট ১২৪ জনকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত Headline Bullet মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এখন পর্যন্ত পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিক নিহত Headline Bullet বিড়ির ধোঁয়া নিয়ে সংঘর্ষ Headline Bullet রুপনগরে বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার সাত Headline Bullet কুষ্টিয়ায় তেল সিন্ডিকেটের অন্তরালে পেট্রোল পাম্প মালিক এ এন এম আব্দুল হাই তপু। Headline Bullet কুষ্টিয়া পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডকে স্মার্টরুপে সাজাতে চাই অমিত কুমার বাগচি Headline Bullet ভাড়াটে খুনি দিয়ে হত্যা করা হয় টিকটকার রাকিব কে Headline Bullet দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিবিসি ক্রাইম নিউজের উপদেষ্টা ও প্রকাশক-সম্পাদক

এবার রেকর্ড গড়লো পদ্মা সেতু

Oplus_131072

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের নির্বিঘ্ন যাত্রায় পদ্মা ও যমুনা সেতুতে সর্বোচ্চ সংখ্যক যানবাহন পারাপার এবং টোল আদায়ের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে।

শুক্রবার (২০ মার্চ) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা শিকদার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সুপরিকল্পিত প্রস্তুতি ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনার ফলে গত ১৭ থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত ৩ দিনে পদ্মা সেতু দিয়ে মোট ১ লাখ ১৯ হাজার ৬৮২টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, যা গত বছর (২০২৫) ছিল ১ লাখ ৮০২টি। এই তিন দিনে পদ্মা সেতুতে মোট টোল আদায় হয়েছে ১৩ কোটি ২১ লাখ ৫১ হাজার ৮০০ টাকা। গত বছর একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ১২ কোটি ৭৮ হাজার ৪০০ টাকা।

অন্যদিকে, যমুনা সেতুতে গত ১৮ মার্চ এক দিনে সর্বোচ্চ ৫১ হাজার ৩৮৪টি গাড়ি পারাপার হয়েছে, যা গত বছর ছিল সর্বোচ্চ ৪৮ হাজার ৩৬৮টি। এদিন যমুনা সেতুতে রেকর্ড ৩ কোটি ৫১ লাখ ৮২ হাজার ৬০০ টাকা টোল আদায় হয়। গত বছর এক দিনে সর্বোচ্চ টোল আদায়ের পরিমাণ ছিল ৩ কোটি ৪৬ লাখ ২৭ হাজার ৮৫০ টাকা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বছরের তুলনায় এবার যানবাহনের চাপ বেশি থাকলেও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার কারণে বড় কোনো দুর্ঘটনা বা যানজটের সৃষ্টি হয়নি।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এবং প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসানের নির্দেশনায় এবং সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফের তত্ত্বাবধানে ঈদযাত্রাকে স্বস্তিদায়ক করতে বেশ কিছু বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— নিরবচ্ছিন্ন টোল আদায়ে দক্ষ জনবল নিয়োগ, সার্বক্ষণিক টোল লেন চালু, মোটরসাইকেলের লেন বৃদ্ধি, নন-স্টপ ইটিসি (ETC) ও ইমার্জেন্সি টোল লেন চালু এবং মাওয়া ও এলেঙ্গা বাস-বে উন্মুক্তকরণ।

এছাড়া দুর্ঘটনা এড়াতে ও দ্রুত উদ্ধারকাজ সম্পন্ন করতে কর্ণফুলী টানেল থেকে আনা ১টি ভারী রেকারসহ মোট ৩টি রেকার প্রস্তুত রাখা হয়। পাশাপাশি, সেতুর প্রতি ৫০০ মিটার পরপর সার্বক্ষণিক নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন, সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ট্রাফিক মনিটরিং, জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রদান এবং ইফতারসামগ্রী বিতরণের ব্যবস্থাও ছিল।


     এই বিভাগের আরো খবর