ঢাকা, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet কুষ্টিয়ায় ‘আন্তর্জাতিক ইয়োগা দিবস উদযাপিত Headline Bullet ম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগে গোয়ালন্দ পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা Headline Bullet গ্রাম পুলিশকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় ‘বিকাশ বাহিনী’র ৫ সদস্য গ্রেপ্তার Headline Bullet কালুখালীতে ভুমি সেবা সপ্তাহ শুরু Headline Bullet ঈদুল আজহা উপলক্ষে ১৬, ১৭ ও ১৮ জুন সরকারি ছুটি থাকবে Headline Bullet প্রস্তাবিত বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়ার কারণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা Headline Bullet গাছ লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিকট থেকে স্বর্ণপদক পেলেন কালুখালীর রাসেল Headline Bullet রাজবাড়ীতে ৪টি হাট-বাজার ইজারায় খাস আদায়ের নামে হরিলুট Headline Bullet হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে সৌরভের আপন চাচা ইলিয়াসকে খুঁজছে পুলিশ Headline Bullet পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি)বেনজীরের পাসপোর্ট করতে নজিরবিহীন জালিয়াতি

নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট,শুনানি ২৬ জানুয়ারি

ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন স্থগিত চেয়ে করা রিটের শুনানির জন্য আগামী রবিবার (২৬ জানুয়ারি) নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

ভোটার তালিকা হালনাগাদ না করাসহ বিভিন্ন কারণ উল্লেখ করে গতকাল বুধবার (২২ জানুয়ারি) আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ এই রিট দায়ের করেন। রিটে আইন মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং ঢাকার দুই সিটির রিটার্নিং অফিসারকে বিবাদী করা হয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর উস সাদিক।

রিটে বলা হয়, ২০১০ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচন বিধিমালায় স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীর ক্ষেত্রে ৩০০ ভোটারের স্বাক্ষরের বিধান রয়েছে। কিন্তু দলীয় প্রার্থীর ক্ষেত্রে এই বিধান না থাকাটা বৈষম্যমূলক এবং এটি সংবিধানের ৭, ১৯, ২৬, ২৭, ২৮ ও ৩১ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ঢাকা সিটি নির্বাচনের জন্য প্রথমে আগামী ৩০ জানুয়ারি ভোটের তারিখ ঘোষণা করে তফসিল দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সেই তফসিল সংশোধন করে ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন ধার্য করা হয়। কিন্তু বিধি অনুসারে নির্বাচন পেছানো নিয়ে তফসিল সংশোধনের সুযোগ নেই, পুনরায় তফসিল দিতে হয়।

বলা হয়, ২০১০ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচন বিধিমালার ২৭ বিধি অনুসারে নির্বাচনের পূর্বে সিটির ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়নি। বিধি ১১(১) অনুযায়ী প্রতিবছর ২ থেকে ৩১ জানুয়ারি ভোটার তালিকা হালনাগাদের নিয়ম রয়েছে। কিন্তু খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হয় গত ২০ জানুয়ারি। তবে ভোটার তালিকা হালনাগাদে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় থাকলেও নতুন ভোটাররা তালিকাভুক্তি থেকে বঞ্চিত হবেন। বিধি মোতাবেক সিটি করপোরেশনের মেয়রের মেয়াদ হবে প্রথম সভা থেকে পাঁচ বছর। বর্তমান মেয়রদের প্রথম সভা ২০১৫ সালের ১৭ মে অনুষ্ঠিত হয়। সেই হিসেবে তাদের মেয়াদ চলতি বছরের ১৭ মে পর্যন্ত হওয়ার কথা। অথচ প্রায় ছয় মাস আগে নির্বাচনের তফসিল দেওয়া হয়েছে।

রিটে আরো বলা হয়, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখের পরে যেমন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যায় না, তেমনি নির্বাচনের তারিখও পেছানো যায় না। বিধিমতে নুতন করে তফসিল ঘোষণা করতে হবে। নির্বাচন কমিশন ১০(১) বিধি অনুযায়ী তফসিল ঘোষণা করেছে, আবার একই বিধি ১০(১) অনুযায়ী তফসিল সংশোধিত করেছে, যা বৈধ নয়। নির্বাচনের তারিখ সংশোধনের কোনও বিধান আইনে নেই। এ অবস্থায় ২০১৯ সালের ২২ ডিসেম্বরের ঘোষিত উভয় তফসিল এবং গত ১৮ জানুয়ারির সংশোধিত তফসিল অবৈধ হবে।


     এই বিভাগের আরো খবর