ঢাকা, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২০ ()
শিরোনাম
Headline Bullet ইশরাকের বাসায় গিয়ে ভোট চাইলেন শেখ ফজলে নূর তাপস Headline Bullet অবৈধ দখলে যাওয়া রেলওয়ের সম্পত্তি ফিরিয়ে আনা হবে- রেলমন্ত্রী Headline Bullet মন্ত্রিত্ব ছেড়ে নির্বাচনী প্রচারণায় নামুন : ওবায়দুল কাদেরকে ফখরুল Headline Bullet থানার সামনেই রিক্সা থেকে চাদাঁবাজি,মোড় ঘুরলেই ১০ টাকা Headline Bullet বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে- বাণিজ্যমন্ত্রী Headline Bullet তিন খানের কখনো একসঙ্গে অভিনয় না করার রহস্য ফাঁস Headline Bullet ধারাবাহিক সাফল্যের আরো একবছর :হাছান মাহমুদ Headline Bullet ঢাবি ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর বর্ণনানুযায়ী ধর্ষককে খুঁজছে পুলিশ Headline Bullet বিশ্বনেতারা আসছেন বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে Headline Bullet তারেকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা, পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ- মহানগর হাকিম আদালত

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি তরুণের আত্মহত্যা

মালয়েশিয়ায় মো. মোকারম মিয়া (২২) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি গলায় গামছা পেচিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শনিবার (২১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় সাড়ে বিকেল ৪টায় এ ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে মালয়েশিয়ান পুলিশ গিয়ে ঝুলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহত মোকারম নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের পূর্বহরিপুর গ্রামের রবিউল্লাহ্ মুন্সির বাড়ির মো. সিদ্দিক মিয়ার ছেলে। তিনি মালয়েশিয়ায় একটি কম্পানিতে পরিচ্ছন্নতা কর্মী হিসাবে কাজ করতেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মোকারম বেলাব উপজেলার এক দালালের মাধ্যমে আড়াই বছর পূর্বে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমায়। সেখানে তিনি একটি কম্পানিতে অল্প বেতনে চাকরি করতেন। ছয় মাস পূর্বে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে একই ইউনিয়নের মতিউরনগর গ্রামে তাকে বিয়ে করান স্বজনরা। সাম্প্রতিক তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ায় চিকিৎসার করাতে একই ইউনিয়নের মুছাপুর গ্রামের প্রবাসী হাবিবুল্লাহ কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকা ধার নেন। নির্ধারিত সময়ে তিনি দেনার টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায়। তার ওপর মানসিক চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন হাবিবুল্লাহ। এক পর্যায়ে তিনি মোকারমের বেতনের টাকা উত্তোলনের কার্ডটিও ছিনিয়ে নেন। এ ঘটনার পনেরো দিন পর গত শনিবার সিলিং ফ্যানের সঙ্গে মোকারমের ঝুলন্ত দেখতে পান তার সহকর্মীরা। পরে মালয়েশিয়ান পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

এ ব্যাপারে সিদ্দিক মিয়া জানান, শুক্রবার দুপুরে মোবাইলে ছেলে সঙ্গে তার শেষ কথা হয়। তখন মোকারম তার বাবাকে অনুরোধ করেন দ্রুত হাবিবুল্লাহকে ৬০ হাজার টাকা জোগাড় করে দিতে।   


     এই বিভাগের আরো খবর