ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২০ ()

বাংলাদেশের ভিডিও পোস্ট করে বিপাকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

ভারতীয় পুলিশ মুসলমানদের ওপরে অত্যাচার, আক্রমণ চালাচ্ছে। এই অভিযোগ একটি ভিডিও টুইট করেছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। পরে দেখা যায়, ভিডিওটি বাংলাদেশের। ভারতীয় বিভিন্ন মিডিয়া ও অনলাইন ব্যবহারকারীরা ইমরান খানের পোস্ট করা ভিডিওটি সম্পর্কে তীর্যক মন্তব্য ও সমালোচনা করতে থাকে। এ অবস্থায় ভিডিওটি সরিয়ে নেন ইমরান খান।

ভিডিওটি ডিলিট করে দেওয়ার পরেও অনলাইন ব্যবহারকারীরা থেমে থাকেননি। এর সমালোচনা চলছেই। ভারতীয় অসংখ্য মিডিয়া ইমরান খানের পোস্ট করা ওই ভিডিওটি দেখাচ্ছে এবং তা যে বাংলাদেশের, তা প্রমাণ করছে।

ভিডিওটি পোস্ট করে বাস্তবে চরম বিড়ম্বনায় পড়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। কারণ ভিডিওটি ভুয়া, এটি প্রমাণিত হতেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে তুলোধনা করছেন অসংখ্য মানুষ।

ইমরানের ভিডিও ফুটেজটিতে দেখা যায়, নীল রঙের উর্দিধারী পুলিশ লাঠি হাতে রয়েছেন, তার সামনে পড়ে রয়েছেন একজন। সেটি বাংলাদেশের পুলিশ ও ব়্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের কোনো একটি অভিযানের পুরনো ভিডিও বলে জানা যায়। যদিও ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘উত্তর প্রদেশে মুসলিমদের বিরুদ্ধে নির্যাতন’।

ভিডিওটি ভুয়া, এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই সোশাল মিডিয়ায় তা ভাইরাল হয়ে যায়। নানা মহল থেকে কটাক্ষের শিকার হচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। পোস্টটি টুইটার থেকে মুছে দেওয়ার পরেও সমালোচনা থামছে না।

এর আগে শুক্রবার পাকিস্তানে নানকানা সাহিব গুরুদোয়ারায় আটকে পড়েন পুণ্যার্থীরা। উত্তেজিত জনতা গুরুদ্বারের পুণ্যার্থীদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে বলে অভিযোগ। যার নিন্দা করে ভারত। সে দেশের শিখ পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তার জন্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের কাছে আবেদন জানান পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং। সে ঘটনার পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবেইমরান খান ওই ভিডিও ফুটেজটি টুইট করেছিলেন, যেখানে বলার চেষ্টা করা হয়েছিল, ভারতে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ নয়। যে ভিডিওটি পরে মিথ্য বলে প্রমাণিত হয়।

ভারতীয় মিডিয়ার দাবি, ভারতকে অপদস্ত করতে ভুয়া ভিডিওসহ টুইট করে নিজের পাতা ফাঁদে পড়ে অস্বস্তি বাড়ল পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর।


     এই বিভাগের আরো খবর