ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২১ ()
শিরোনাম
Headline Bullet শরণখোলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবা ব্যবসায়ী সাখাওয়াত আটক Headline Bullet মেহেরপুরের ইসলামনগরে গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ Headline Bullet রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া যৌনপল্লী থেকে ১৪ কিশোরীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ Headline Bullet সামাজিক সংগঠন স্বপ্ন প্রয়াস যুব সংস্থা’র উদ্যোগে কুষ্টিয়া শহরের ছিন্নমূল অসহায়দের শীতবস্ত্র বিতরণ। Headline Bullet রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে ৩বিএনপি নেতাসহ ওয়ারেন্টভুক্ত ৪জন গ্রেফতার Headline Bullet এ্যাডঃ উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপির রোগ মুক্তি কামনা করে পলাশবাড়ী প্রেসক্লাবের আয়োজনে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Headline Bullet রাজশাহী-গোপালগঞ্জ রেল রুট বালিয়াকান্দিতে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রতিবন্ধী কৃষকের মৃত্যু Headline Bullet খোকসায় আলোচিত সিসিআইসির প্রতারক চক্রের হোতা মো:রুবেল আহম্মেদ ওরফে‘হেলিকপ্টার রুবেল’ গ্রেপ্তার! Headline Bullet মেহেরপুরের গাংনীতে ১০টি ইটভাটায় ৬০ লাখ টাকায় জরিমানা। ভাঙ্গা হয়েছে কয়েকটি ইট ভাটা Headline Bullet উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকারে মেহেরপুরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আজ ৬ ডিসেম্বর -মেহেরপুর মুক্ত দিবস

মেহেরপুর প্রতিনিধি \ আজ ৬ ডিসেম্বর। মেহেরপুর মুক্ত দিবস। মুক্তিবাহিনীর প্রতিরোধের মুখে দাঁড়াতে না পেরে হানাদার বাহিনীরা মেহেরপুর ছেড়ে পালিয়ে যায়। মেহেরপুরবাসী পায় স্বাধীন ভূমি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ডাকে স্বাধীনতার সুতিকাগার মুজিবনগর তথা মেহেরপুরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তৎকালীন এসডিও তৌফিক এলাহির সক্রিয় ভূমিকায় ছাত্র, আনসার-মুজাহিদদের নিয়ে মুক্তিবাহিনী গড়ে তোলা হয়। ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রশিক্ষণ শেষে মুক্তি বাহিনী মেহেরপুর প্রবেশ করে পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। পাক বাহিনীর হাত থেকে মেহেরপুরকে মুক্ত করতে চারদিক থেকে পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে মুক্তি বাহিনী। ৫ ডিসেম্বর বিকেলে জেলার বিভিন্ন দিক দিয়ে পাকবাহীনির উপর আক্রমন করা হয়। অপর আক্রমনটি করা হয় মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কের বামুন্দিতে। অবস্থা বেগতিক দেখে ৫ ডিসেম্বর রাত থেকেই পাক বাহিনী মেহেরপুর থেকে কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গার দিকে পিছু হঠতে শুরু করে। আর কুষ্টিয়া সড়কের খলিশকুন্ডি দিয়ে পালিয়ে যায় পাক বাহিনী। যাবার সময় আমঝুপি দ্বিনদত্ত¡ ব্রীজ, ওয়াবদা সহ বহু গুরত্বপূর্ণ স্থান ধ্বংশ করে দিয়ে যায়। ৬ ডিসেম্বর সকালে আর কোন পাক বাহিনীর সদস্যকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এদিন সকাল থেকেই মানুষ উল্লাসে ফেটে পড়ে।


     এই বিভাগের আরো খবর