ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২১ ()
শিরোনাম
Headline Bullet কুষ্টিয়ায় ২৪ ঘন্টায় ২১ করোনা রোগী শনাক্তঃ Headline Bullet রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ থেকে আড়াই কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারঃ Headline Bullet কঠোর লকডাউনের ঘোষনায় ঘরমুখি মানুষের দৌলতদিয়া ঘাটে জনস্রোতঃ Headline Bullet রাজবাড়ীতে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ৩জন করোনা আক্রান্তঃ Headline Bullet মেহেরপুরে কৃষকদের মাঝে কীটনাশক ছিটানোর স্প্রে মেশিন বিতরণঃ Headline Bullet মেহেরপুরে জামায়াতের মহিলাকর্মী ও রোকনসহ ৮ জনকে আটক করেছে পুলিশঃ Headline Bullet বরগুনার তালতলীতে মেডিকেলে চান্স পাওয়া সেই ইসমাইলের পাশে জেলা প্রশাসক: Headline Bullet বালিয়াকান্দিতে ইউপি চেয়ারম্যানের ভাতিজা কর্তৃক সাংবাদিককে হত্যার হুমকি ॥ থানায় জিডি Headline Bullet পুর্ব বিরোধের জের ধরে বালিয়াকান্দিতে ব্যবসায়ীর উপর হামলা ॥ আহত-৩ Headline Bullet মিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বালিয়াকান্দিতে চাচাতো ভাইয়ের হামলায় স্বামী-স্ত্রী আহত

সু-বিচার ও বারংবার মিথ্যা হয়রানি মূলক মামলা হতে অব্যাহতির জন্য সংবাদ সম্মেলন


মেহেরপুর প্রতিনিধি \ সু-বিচার ও বারংবার মিথ্যা হয়রানি মূলক মামলা হতে অব্যাহতির জন্য সংবাদ সম্মেলন করেছে মেহেরপুরে গাংনী উপজেলার করমদী গ্রামের আব্দুল হান্নান নামের এক ব্যবসায়ী। সোমবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে মেহেরপুর জেলা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। আব্দুল হান্নান গাংনীর করমদি গ্রামের মৃত আফেল উদ্দিনের ছেলে।
সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল হান্নান বলেন, বিএনপি জামাত মাদক ব্যবসায়ী দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ২০১৮ সালের ১৯ নভেম্বর রাতে একটি দোকানে বসা অবস্থায় এস আই মকবুল ও আর ওয়ান মোস্তফা আহম্মেদসহ ৪ জন পুলিশ সদস্য আমাকে আকড়ে ধরে। পরে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে একটি মাইক্রোবাসে তোলে। এসময় আমার কাছে থাকা ৮৩ হাজার টাকা কেড়ে নেয় এসআই মকবুল। পরে একটি মাঠের ভিতর নিয়ে গিয়ে আর ওয়ান মোস্তফা আমাকে বলে ১০-১২ লাখ টাকা দিতে পারবি কিনা বল। তখন আমি বলি আমার কাছে ৮৩ হাজার টাকা ছিল সেটা মকবুল স্যার নিয়ে নিয়েছে। আমার কাছে আর টাকা নেই।
পরে রাত সাড়ে ১০ টার দিকে আমাকে থানায় হস্তান্তর করে। আমার সাথে আরও দুইজন আসামী ছিল। পর দিন আমাকে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে আমার বড় ভাই মুন্নাতের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা নেয় আর ওয়ান মোস্তফা। তারপরও আমাকে অস্ত্র ও গাজাঁ মামলায় চালান করা হয়।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন কারাভোগের পর সু বিচার পাওয়ার জন্য ২০১৯ সালের ১৬ এপ্রিলে বাংলাদেশ মানবাধিকারের মাধ্যমে মামলার কাগজপত্রাদি সহ প্রশাসনিক উচ্চ মহলে আবেদন করি। একই বছর ৮ জুলাই মেহেরপুর আদালতে একটি সি আর মামলা দায়ের করি। যার নাম্বার ২০৭/১৯।
বর্তমানে মামলাটি মেহেরপুর সিআইডির তদন্তাধীন রয়েছে। আমার সিআর মামলার আসামীরা একই বছর ২ ডিসেম্বর আমার নামে পুনরায় জি আর মামলা দায়ের করেন। এরপর বিভিন্ন কায়দায় আমার নাম ফাইনাল চার্জশিটে যোগ করে দেয়। এমতাবস্থায় মেহেরপুর জি আর ৩১৮/১৮, ৩১৯/১৯ ও ২৭৩/১৯ মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতি পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করছি।


     এই বিভাগের আরো খবর