ঢাকা, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ()
শিরোনাম
Headline Bullet ভালবাসা দিবস উপলক্ষে এতিম খানা ও বৃদ্ধাশ্রম এ খাবার বিতরনে কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগ Headline Bullet কাজী আরেফ রাজনীতি করার টাকা যোগাতেন টিউশনি করে,স্মারক বক্তকৃতায় আলোচকরা Headline Bullet ক্ষমা চেয়ে আবেদন করলে খালেদার প্যারোল বিবেচনাযোগ্য- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Headline Bullet খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র বিক্ষোভ Headline Bullet কুষ্টিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত Headline Bullet কুষ্টিয়া জেলায় রেকর্ড পরিমাণ জমিতে পেঁয়াজ চাষ Headline Bullet কুষ্টিয়ায় প্রথম আলোর আয়োজনে ফিজিক্স প্রতিযোগিতা Headline Bullet আজ জাতীয় নেতা কাজী আরেফসহ ৫ নেতার ২১ তম মৃত্যুবার্ষিকী Headline Bullet কুষ্টিয়ায় পলাশ হত্যা মামলায় চার আসামীর যাবজ্জীবন Headline Bullet কুষ্টিয়ার ডিভাইন ইন্টেরিয়র ডিজাইন ফার্ম বন্ধে প্রাণনাশের হুমকি

ঢাকা কেরানীগঞ্জে ৮ ইটভাটায় পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান

কেরানীগঞ্জে ইটভাটা বন্ধের জন্য অভিযান পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ সোমবার (৯ ডিসেম্বর) দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া ইউনিয়নের বাঘৈর ও বাঘৈর রাজহালট এলাকায় ৮টি ইটভাটায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এদের মধ্যে পাঁচটি ইটভাটা হাইকোর্টে রিট থাকার কারণে ছেড়ে দেওয়া হয়। বাকী তিনটি ইটভাটায় পরিবেশের ছাড়পত্র না থাকার অপরাধে আর্থিক জরিমানা ও ইটভাটা ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

অভিযানের নেতৃত্ব দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাকসুদুল ইসলাম। এ সময় তার সাথে ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাহবুবুর রহমান খান, পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মাহমুদা খাতুন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকা জেলার সহকারী পরিচালক শরীফুল ইসলাম।

ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট, র‌্যাব-১০ এর একটি টিম ও দক্ষিণ বেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ। সোমবার বেলা ১২টায় এ অভিযান শুরু হয়ে একটানা বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত চলে।

উপজেলা কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া ইউনিয়নের বাঘৈর এলাকায় তেঘরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী লাট মিয়ার মৈসার্স ইমরান ব্রিকস ও নাজির ব্রিকসকে অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের নাবায়ন না থাকায় এবং ব্রিকস ফিল্ডের এক কিলোমিটারের মধ্যে বসতবাড়ি-স্কুল কলেজ থাকার অপরাধে দুটি ব্রিকস ফিল্ডকে নগদ পাঁচ লক্ষ টাকা করে জরিমানা করা হয় পাশাপাশি ব্রিকস ফিল্ড যাতে চালু না করতে পারে সে জন্য ব্রিকস ফিল্ড ভেঙে দেওয়া হয়।

এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালত একইস্থানে আরো পাঁচটি ব্রিকস ফিল্ডে অভিযান পরিচালনা করলে সেখানে মালিক পক্ষ থেকে হাইকোর্টেও রিট আবেদন দেখালে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া থেকে বিরত থাকেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাকসুদুল ইসলাম বলেন, পরিবেশের ছাড়পত্রের মেয়াদ না থাকা এবং ব্রিকস ফিল্ডের এক কিলোমিটারের মধ্যে বসত বাড়ি, স্কুল কলেজসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকার অপরাধে আমরা তিনটি ব্রিকস ফিল্ডকে পাঁচ লাখ টাকা করে জরিমানা এবং পরবর্তিতে যের ব্রিকস ফিল্ড চালু করতে না পারে সে জন্য ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ব্রিকস ফিল্ডগুরোর প্রতি আমাদের মনিটরিং থাকবে। যদি কেউ আমাদের এই আদেশ অমান্য করে ভাটা চালু করে তাহলে পরবর্তিতে কঠোর সাজার ব্যবস্থা করা হবে।


     এই বিভাগের আরো খবর