ঢাকা, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২০ ()
শিরোনাম
Headline Bullet ইশরাকের বাসায় গিয়ে ভোট চাইলেন শেখ ফজলে নূর তাপস Headline Bullet অবৈধ দখলে যাওয়া রেলওয়ের সম্পত্তি ফিরিয়ে আনা হবে- রেলমন্ত্রী Headline Bullet মন্ত্রিত্ব ছেড়ে নির্বাচনী প্রচারণায় নামুন : ওবায়দুল কাদেরকে ফখরুল Headline Bullet থানার সামনেই রিক্সা থেকে চাদাঁবাজি,মোড় ঘুরলেই ১০ টাকা Headline Bullet বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে- বাণিজ্যমন্ত্রী Headline Bullet তিন খানের কখনো একসঙ্গে অভিনয় না করার রহস্য ফাঁস Headline Bullet ধারাবাহিক সাফল্যের আরো একবছর :হাছান মাহমুদ Headline Bullet ঢাবি ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর বর্ণনানুযায়ী ধর্ষককে খুঁজছে পুলিশ Headline Bullet বিশ্বনেতারা আসছেন বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে Headline Bullet তারেকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা, পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ- মহানগর হাকিম আদালত

কুষ্টিয়ায় অটোরিকশায় বাড়ছে যানজট

ডেস্ক নিউজ:

কুষ্টিয়া শহরে অটোরিকশার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণে যানজটও বাড়ছে। এতে প্রতিনিয়ত স্বাভাবিক চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শহরবাসীর। অতিরিক্ত অটোরিকশার কারণে শহরের বেশ কয়েকটি জায়গায় বেশিরভাগ সময়ই যানজট লেগে থাকে। এছাড়া অদক্ষ চালকের কারণে এবং যেখানে সেখানে ইউটার্ন নেওয়া ও যাত্রী ওঠানামানোতে প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।
কুষ্টিয়া পৌরসভা সূত্র জানায়, পৌরসভার লাইসেন্স শাখা থেকে থেকে গত বছর এক হাজার ২৪৮ জন শহরে অটোরিকশা ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স করেছিলেন। এ বছর করেছেন মাত্র ৬০৪ জন। এক বছরের জন্য একটি অটোরিকশার ভ্যাট ট্যাক্স মিলে দুই হাজার ২৫ টাকা দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স করতে হয়।এরপর লাইসেন্স দেওয়া অটোরিকশাগুলো পৌর এলাকায় চলার অনুমতি পায়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, অটোরিকশার কারণে সবচেয়ে বেশি যানজটের সৃষ্টি হয় শহরের তিনটা রুটে। সেগুলো হলো, মজমপুর থেকে এনএসরোড হয়ে বড় বাজার, থানামোড় থেকে মোল্লাতেঘরিয়া ও পলিটেকনিক থেকে কলেজ ও হাসপাতাল মোড় হয়ে সাদ্দাম বাজার পর্যন্ত। এই তিন সড়কে মোট পাঁচ কিলোমিটারে দুই হাজারের বেশি অটোরিকশা চলাচল করে। এছাড়া আমিন ফার্মেসি মোড়, হাসপাতাল মোড় ও কোর্টস্টেশন মোড়ে সকালে ও বিকালে সবচেয়ে বেশি জট বাধে।
ট্রাফিক সার্জেন্ট বলেন, ‘শহরের এনএস রোড় ও কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের বটতৈল থেকে কুষ্টিয়া-ঈশ্বরদী মহাসড়কের ত্রিমোহনী পর্যন্ত আট কিলোমিটার রাস্তায় অটোরিকশা চলাচল করছে সবচেয়ে বেশি। এসব সড়কে চলতে গিয়ে তারা একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে।এসব কারণে তারা যেদিকে পারছে সেদিক দিয়ে চলাচল করছে। ফলে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।’
কুষ্টিয়া সিটি কলেজের অধ্যক্ষ আজমল গণি আরজু বলেন, ‘অটোরিকশার কারণে শহরে স্বাভাবিক চলাচল করা খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। কোন সড়কে কয়টা অটোরিকশার চলবে তা কর্তৃপক্ষের ঠিক করে দেওয়া উচিত।’
অটোরিকশা চালক সংগ্রাম পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জানান, তার পরিষদে ২ হাজার ৩৯টি অটোরিকশা আছে,সেগুলো শহরে চলাচল করে। এর বাইরে আরও ছয় হাজার অটোরিকশা শহরে চলছে, যেগুলো পৌরসভার বাইরে থেকে আসে। বাইরে থেকে আসা অটোরিকশাগুলোই শহরে যানজট তৈরি করছে।
কুষ্টিয়া পৌরসভার লাইসেন্স শাখার পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘শহর ছাড়াও কুমারখালী ও মিরপুর উপজেলার অনেক অটোরিকশা শহরে এসে চলাচল করে। এতেই মূলত শহরে যানজট বেড়েছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।’
অটোরিকশা চালক রফিকুল ইসলাম জানান, শহরে শুধু আমাদের কারণেই যানজটের সৃষ্টি হয়না। এখানে অন্যান্য পরিবহনের কারণেও যানজট বাধে।
কুষ্টিয়া ট্রাফিক কার্যালয়ের পরিদর্শক বলেন, ‘অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ করতে ট্রাফিক সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছে। পৌরসভা চাইলে তাদের সহযোগিতা করা হবে।


     এই বিভাগের আরো খবর