ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২০ ()
শিরোনাম
Headline Bullet কুষ্টিয়ার জননন্দিত পৌর মেয়র আনোয়ার আলী করোনা পজিটিভঃ Headline Bullet স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকা ভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক ছিল প্রদীপের! Headline Bullet ছাত্র রাজনীতির গর্বিত অহংকার নিয়াজ মোরশেদঃ Headline Bullet চেতনায় অগাস্ট মাস…এ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যূথী, সভাপতি রুলা ও সাবেক ট্রেজারার সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশনঃ Headline Bullet গাইবান্ধায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে নিযুক্ত হচ্ছেন সাদেকুর রহমানঃ Headline Bullet সততা ও নিষ্ঠা আন্তরিকতার সাথে চেয়ারম্যানদের দায়িত্ব পালন করতে পালন করতে হবে ————এ্যাড উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপিঃ Headline Bullet গোবিন্দগঞ্জ কৃষলীগের উদ্যোগে বৃক্ষরোপনের উদ্বোধনে-এ্যাড.স্মৃতি এমপিঃ Headline Bullet মুজিবনগরে যুবলীগের বৃক্ষরোপন কর্মসৃচির উদ্বোধনঃ Headline Bullet ১৫ই আগস্ট পালন উপলক্ষে মেহেরপুর প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিতঃ Headline Bullet জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনায় মাস্ক বিতরণঃ

অবৈধ নছিমন,করিমন গাড়ী থেকে গ্রাম বাংলা ট্যাম্পু পরিবহনের নামে মাসিক চাঁদা আদায়কারী কে এই রুহুল আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ- কুষ্টিয়া ইবি থানার লক্ষীপুর বাসষ্ট্যান্ডে বসে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অবৈধ নছিমন,করিমন,আলগামন গাড়ী থেকে প্রতি মাসে মাসিক চুক্তিতে প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে গ্রাম বাংলা ট্যাম্পু পরিবহনের নামের স্টিকার ব্যবহার করে ৫০০-১০০০ টাকা চাঁদা আদায় করার অভিযোগ উঠেছে। ভূক্তভোগীরা জানান,রুহুল আমিন গ্রাম বাংলা ট্যাম্পু পরিবহনের স্টিকার ব্যবহার করে মাসিকভাবে যে চাঁদা তোলে তা সে কুষ্টিয়া ট্রাফিক অফিস,ইবি থানা এবং হাইওয়ে পুলিশের নাম ভাঙিয়ে অবৈধভাবে টাকা উত্তোলন করছে। প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে প্রশাসনেরই নাম ভাঙিয়ে তিনি এই চাঁদাবাজী এক যুগেরও অধিক সময় ধরে করে আসছে। কথিত আছে লক্ষীপুর বাসষ্ট্যান্ডের রুহুল আমিন পুলিশের চিন্হিত দালাল হিসেবেই পরিচিত।কুষ্টিয়ার বর্তমান পুলিশ সুপার এস,এম তানভীর আরাফাত পিপিএম বার যোগদানের পর থেকেই তিনি মহা সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধের কাজ শুরু করেন। সর্বশেষ কুষ্টিয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফের নির্দেশে মহা সড়কের চাঁদাবাজি বন্ধ করে দেয়। ভেঙ্গে দেয় টোল আদায়ের ঘর। মহা সড়কে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপার জিরো টলারেন্স ঘোষনা করেন। একাধিক সুত্রে জানায়,লক্ষীপুর বাসষ্ট্যান্ডে বসেই রুহুল আমিন নিজের নাম সম্বলিত স্টিকার ব্যবহার করে চাঁদাবাজির জন্য সংগবদ্ধ চক্র অবৈধ যান থেকে মাসিক চুক্তিতে আবারো চাঁদাবাজি আবারো শুরু হয়। সরজমনে দেখা যায়, রুহুল আমিন মহা সড়কের গাড়ি থামিয়ে নছিমন,করিমন,আলগামন,আলমসাধু,ভটভটি,থেকে প্রতিমাসে ৫০০-১০০০ টাকা অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করে আসছে। এতে কেউ চাঁদা দিতে অপারকতা প্রকাশ করলে তাকে প্রশাসন দিয়ে মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা উত্তোলন করা হচ্ছে। একাধিক নছিমন করিমন চালকরা বলেন,আমরা নিরুপায় আইনশৃংখলা বাহিনীর উর্দ্ধতম কর্মকর্তারা চাঁদাবাজির জন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করলেও আইনশৃংখলা বাহিনীর কিছু দূর্নিতী পরায়ন ব্যাক্তিদের যোগসাজসে এই দূর্নিতী হচ্ছে। এব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী প্রতিবেদককে বলেন, আমরা নছিমন,করিমন,আলগামন গাড়ী ক্রয় করে রাস্তায় নামাতে হলে রুহুল আমিনকে পাঁচ হাজার টাকা করে দিতে হয়। শুধু তাই নয় পাঁচ শত থেকে এক হাজার টাকা করে মাসিক টাকা দেওয়া লাগে।রুহুল আমিনকে মাসিক টাকা না দিলে ক্ষমতা দেখিয়ে গাড়ী হাইওয়ে ফাঁড়িতে আটক করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে পরে টাকার বিনিময়ে ছাড়িয়ে আনে।রুহুল আমিন আরও বলে৷ আমাকে মাসিক চাঁদা দিলে কোন পুলিশ গাড়ী ধরবে না। এ বিষয়ে রুহুল আমিনের সাথে সাক্ষাত করলে তিনি বলেন,আমি প্রতিমাসে কুষ্টিয়া জেলা ট্রাফিক অফিসে ১০ হাজার টাকা ,কুষ্টিয়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে ১০ হাজার টাকা,ইবি থানাতে ১০ হাজার টাকা করে দিয়েই এই চাঁদা উত্তোলন করে আসছি। এ ছাড়াও প্রতিমাসে হরিনারয়নপুর পুলিশ ফাঁড়িতে ৬ হাজার টাকা, আব্দালপুর পুলিশ ফাঁড়িতে ৬ হাজার টাকা,ঝাউদিয়া ফাঁড়িতে ৬ হাজার টাকা করে দেওয়া লাগে রাতে পুলিশের টহল পাহাড়ার জন্য অটো বা সি,এনজি রিকোজিশনের জন্য।সেহেতু আমার প্রশাসনের সকল দপ্তর ম্যানেজ রয়েছে।


     এই বিভাগের আরো খবর