ঢাকা, বুধবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২১ ()
শিরোনাম
Headline Bullet রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে ৩বিএনপি নেতাসহ ওয়ারেন্টভুক্ত ৪জন গ্রেফতার Headline Bullet এ্যাডঃ উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপির রোগ মুক্তি কামনা করে পলাশবাড়ী প্রেসক্লাবের আয়োজনে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Headline Bullet রাজশাহী-গোপালগঞ্জ রেল রুট বালিয়াকান্দিতে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রতিবন্ধী কৃষকের মৃত্যু Headline Bullet খোকসায় আলোচিত সিসিআইসির প্রতারক চক্রের হোতা মো:রুবেল আহম্মেদ ওরফে‘হেলিকপ্টার রুবেল’ গ্রেপ্তার! Headline Bullet মেহেরপুরের গাংনীতে ১০টি ইটভাটায় ৬০ লাখ টাকায় জরিমানা। ভাঙ্গা হয়েছে কয়েকটি ইট ভাটা Headline Bullet উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকারে মেহেরপুরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Headline Bullet শিক্ষার মাধ্যমে শান্তির সংস্কৃতির জন্য আন্তঃমহাদেশীয় সম্মেলন অনলাইনে অনুষ্ঠিত হবে Headline Bullet কুষ্টিয়ায় নব-নির্বাচিত কাউন্সিলর এইচ এম তানভীর নবেল কে মাহাবুব উল আলম হানিফ এমপির শুভেচ্ছা Headline Bullet কুষ্টিয়ায় নব-নির্বাচিত কাউন্সিলর কিশোর কুমার জগৎ কে হানিফ এমপির শুভেচ্ছা Headline Bullet রাজবাড়ী জেলা থেকে বিভিন্ন সময়ে হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিককে বুঝিয়ে দিল জেলা পুলিশ

নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট,শুনানি ২৬ জানুয়ারি

ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন স্থগিত চেয়ে করা রিটের শুনানির জন্য আগামী রবিবার (২৬ জানুয়ারি) নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

ভোটার তালিকা হালনাগাদ না করাসহ বিভিন্ন কারণ উল্লেখ করে গতকাল বুধবার (২২ জানুয়ারি) আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ এই রিট দায়ের করেন। রিটে আইন মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং ঢাকার দুই সিটির রিটার্নিং অফিসারকে বিবাদী করা হয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর উস সাদিক।

রিটে বলা হয়, ২০১০ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচন বিধিমালায় স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীর ক্ষেত্রে ৩০০ ভোটারের স্বাক্ষরের বিধান রয়েছে। কিন্তু দলীয় প্রার্থীর ক্ষেত্রে এই বিধান না থাকাটা বৈষম্যমূলক এবং এটি সংবিধানের ৭, ১৯, ২৬, ২৭, ২৮ ও ৩১ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ঢাকা সিটি নির্বাচনের জন্য প্রথমে আগামী ৩০ জানুয়ারি ভোটের তারিখ ঘোষণা করে তফসিল দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সেই তফসিল সংশোধন করে ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন ধার্য করা হয়। কিন্তু বিধি অনুসারে নির্বাচন পেছানো নিয়ে তফসিল সংশোধনের সুযোগ নেই, পুনরায় তফসিল দিতে হয়।

বলা হয়, ২০১০ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচন বিধিমালার ২৭ বিধি অনুসারে নির্বাচনের পূর্বে সিটির ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়নি। বিধি ১১(১) অনুযায়ী প্রতিবছর ২ থেকে ৩১ জানুয়ারি ভোটার তালিকা হালনাগাদের নিয়ম রয়েছে। কিন্তু খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হয় গত ২০ জানুয়ারি। তবে ভোটার তালিকা হালনাগাদে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় থাকলেও নতুন ভোটাররা তালিকাভুক্তি থেকে বঞ্চিত হবেন। বিধি মোতাবেক সিটি করপোরেশনের মেয়রের মেয়াদ হবে প্রথম সভা থেকে পাঁচ বছর। বর্তমান মেয়রদের প্রথম সভা ২০১৫ সালের ১৭ মে অনুষ্ঠিত হয়। সেই হিসেবে তাদের মেয়াদ চলতি বছরের ১৭ মে পর্যন্ত হওয়ার কথা। অথচ প্রায় ছয় মাস আগে নির্বাচনের তফসিল দেওয়া হয়েছে।

রিটে আরো বলা হয়, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখের পরে যেমন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যায় না, তেমনি নির্বাচনের তারিখও পেছানো যায় না। বিধিমতে নুতন করে তফসিল ঘোষণা করতে হবে। নির্বাচন কমিশন ১০(১) বিধি অনুযায়ী তফসিল ঘোষণা করেছে, আবার একই বিধি ১০(১) অনুযায়ী তফসিল সংশোধিত করেছে, যা বৈধ নয়। নির্বাচনের তারিখ সংশোধনের কোনও বিধান আইনে নেই। এ অবস্থায় ২০১৯ সালের ২২ ডিসেম্বরের ঘোষিত উভয় তফসিল এবং গত ১৮ জানুয়ারির সংশোধিত তফসিল অবৈধ হবে।


     এই বিভাগের আরো খবর