ঢাকা, বুধবার, ৩ জুন, ২০২০ ()
শিরোনাম
Headline Bullet পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বক্তৃতায় মাহাফুজ মামুন Headline Bullet দেশে প্রথম রেমদেসিভির উৎপাদন করেছে বেক্সিমকো Headline Bullet আসন্ন কুষ্টিয়া পৌরসভা নির্বাচনে ৭ নং ওয়ার্ডে প্রার্থী হচ্ছেন তানভীর নবেল Headline Bullet আসন্ন কুষ্টিয়া পৌরসভা নির্বাচনে ২১ নং ওয়ার্ডে প্রার্থী হচ্ছেন মাহাফুজ মামুন Headline Bullet রাজধানীর মুগদায় ছিনতাইকারীর হাতে গৃহবধূর মৃত্যু Headline Bullet দিল্লিতে মুসলমানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে হেফাজতের বিক্ষোভ সমাবেশ Headline Bullet করোনায় ৪০ হাজার মৃত্যু ও গণকবরের প্রস্তুতি নিচ্ছে লন্ডন Headline Bullet কন্যা সন্তান,ভাগ্যবান লোকদের আল্লাহ নেয়ামত হিসাবে উপহার দেন ! Headline Bullet দাদা হত্যা মামলায় নাতি কারাগারে Headline Bullet চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট,শুনানি ২৬ জানুয়ারি

ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন স্থগিত চেয়ে করা রিটের শুনানির জন্য আগামী রবিবার (২৬ জানুয়ারি) নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

ভোটার তালিকা হালনাগাদ না করাসহ বিভিন্ন কারণ উল্লেখ করে গতকাল বুধবার (২২ জানুয়ারি) আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ এই রিট দায়ের করেন। রিটে আইন মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং ঢাকার দুই সিটির রিটার্নিং অফিসারকে বিবাদী করা হয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর উস সাদিক।

রিটে বলা হয়, ২০১০ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচন বিধিমালায় স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীর ক্ষেত্রে ৩০০ ভোটারের স্বাক্ষরের বিধান রয়েছে। কিন্তু দলীয় প্রার্থীর ক্ষেত্রে এই বিধান না থাকাটা বৈষম্যমূলক এবং এটি সংবিধানের ৭, ১৯, ২৬, ২৭, ২৮ ও ৩১ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ঢাকা সিটি নির্বাচনের জন্য প্রথমে আগামী ৩০ জানুয়ারি ভোটের তারিখ ঘোষণা করে তফসিল দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সেই তফসিল সংশোধন করে ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন ধার্য করা হয়। কিন্তু বিধি অনুসারে নির্বাচন পেছানো নিয়ে তফসিল সংশোধনের সুযোগ নেই, পুনরায় তফসিল দিতে হয়।

বলা হয়, ২০১০ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচন বিধিমালার ২৭ বিধি অনুসারে নির্বাচনের পূর্বে সিটির ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়নি। বিধি ১১(১) অনুযায়ী প্রতিবছর ২ থেকে ৩১ জানুয়ারি ভোটার তালিকা হালনাগাদের নিয়ম রয়েছে। কিন্তু খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হয় গত ২০ জানুয়ারি। তবে ভোটার তালিকা হালনাগাদে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় থাকলেও নতুন ভোটাররা তালিকাভুক্তি থেকে বঞ্চিত হবেন। বিধি মোতাবেক সিটি করপোরেশনের মেয়রের মেয়াদ হবে প্রথম সভা থেকে পাঁচ বছর। বর্তমান মেয়রদের প্রথম সভা ২০১৫ সালের ১৭ মে অনুষ্ঠিত হয়। সেই হিসেবে তাদের মেয়াদ চলতি বছরের ১৭ মে পর্যন্ত হওয়ার কথা। অথচ প্রায় ছয় মাস আগে নির্বাচনের তফসিল দেওয়া হয়েছে।

রিটে আরো বলা হয়, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখের পরে যেমন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যায় না, তেমনি নির্বাচনের তারিখও পেছানো যায় না। বিধিমতে নুতন করে তফসিল ঘোষণা করতে হবে। নির্বাচন কমিশন ১০(১) বিধি অনুযায়ী তফসিল ঘোষণা করেছে, আবার একই বিধি ১০(১) অনুযায়ী তফসিল সংশোধিত করেছে, যা বৈধ নয়। নির্বাচনের তারিখ সংশোধনের কোনও বিধান আইনে নেই। এ অবস্থায় ২০১৯ সালের ২২ ডিসেম্বরের ঘোষিত উভয় তফসিল এবং গত ১৮ জানুয়ারির সংশোধিত তফসিল অবৈধ হবে।


     এই বিভাগের আরো খবর